ঢাকা | বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২

রং মিস্ত্রি আশরাফুল ইসলাম হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগের শীর্ষ ও তৃণমূল নেতাকর্মীরা আসামি

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ১৩ জানুয়ারী ২০২৫ ০০:৫৯

তৃণমূল নেতাকর্মীরা আসামি

রং মিস্ত্রি আশরাফুল ইসলাম হত্যায় আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফসহ ২৯ জনের নাম উল্লেখ করে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংস ঘটনায় নিহতদের স্বজনদের দায়ের করা একাধিক মামলায় তারা আসামি হয়েছেন।

মামলাগুলোর আসামিদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবউল আলম হানিফ। এছাড়া কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আসগর আলী, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা এবং জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ অজয় সুরেখাও এসব মামলার আসামি।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২০ আগস্ট কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার বাদী কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা লাবনী আক্তার ইতি। তিনি অভিযোগ করেন, তার স্বামী আশরাফুল ইসলাম (৩৬) গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে প্রতিপক্ষের ছোড়া গুলিতে নিহত হন।

এই মামলায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, কুষ্টিয়া সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজী রবিউল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ অজয় সুরেখা, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার নন্দী, সাবেক যুবলীগ নেতা জেড এম সম্রাট, কুষ্টিয়া শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি তাইজাল আলী খান, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ হাফিজ চ্যালেঞ্জসহ মোট ২৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এছাড়া মামলার আসামির তালিকায় তৌফিক আনাম, পিতা: মোঃ সরওয়ার হোসেন-এর নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি আশরাফুল ইসলাম হত্যা মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে উল্লেখ করা হয়, গত ৪ আগস্ট দুপুর আনুমানিক দেড়টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে আশরাফুল ইসলাম শহর থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে কুষ্টিয়া শহরের থানার মোড় বকচত্বরে সহিংসতার মুখে পড়েন। এ সময় উল্লেখিত আসামীরা তাকে ধাওয়া করে লক্ষ্য করে গুলি চালায় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে কুষ্টিয়ার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Developed with by DATA Envelope
Top